
২৭ বছর পরও শীর্ষে শাকিব খান
ঢাকাই চলচ্চিত্রে যুগে যুগে নায়ক এসেছেন, গেছেন। কেউ কয়েক বছর আলো ছড়িয়েছেন, কেউ এক যুগ রাজত্ব করেছেন, আবার সময়ের স্রোতে হারিয়েও গেছেন। কিন্তু একটা নাম দুই যুগের বেশি সময় ধরে বারবার ফিরে এসেছে দর্শকের মুখে
দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র সঙ্গীত আয়োজন চ্যানেল আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ডস এর ২০তম আসর এবার বসেছিল দেশের উত্তরাঞ্চলের প্রবেশদ্বার বগুড়ার পাঁচ তারকা হোটেল মমো ইন এর বিশাল আঙিনায়। টিএমএসএস চ্যানেল আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ডস এর এবারের আসরে দেশসেরা শিল্পীদের মিলন মেলা বসেছিল। রুনা লায়লা, সাবিনা ইয়াসমীন, খুরশিদ আলম, রফিকুল আলম থেকে শুরু করে দেশের নবীণ-প্রবীণ শতাধিক সঙ্গীত শিল্পী ঢাকা থেকে ছুটে যান বগুড়ায়। আজীবন সম্মাননা পেয়েছেন গুণীশিল্পী কনক চাপা। বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয় বিশিষ্ট শিল্পী কাঙালিনী সুফিয়াকে। ব্যান্ড সঙ্গেিতর গুরু আজম খানের লুপ্ত প্রায় ব্যান্ড গ্রুপ উচ্চারণকে এই আয়োজনের মাধ্যমে আবার উজ্জীবিত করা হয়। এবারের আয়োজনটি সারাদেশে সঙ্গীত প্রেমীদের মাঝে ব্যাপক আলোড়ন তুলেছে।
চমৎকার একটি দলীয় পরিবেশনা দিয়ে শুরু হয় বগুড়াবাসীর জন্য বহুল কাঙ্খিত এই মনোজ্ঞ সন্ধ্যা। ‘ধন ধন্যে পুস্প ভরা’ ‘প্রথম বাংলাদেশ আমার শেষ বাংলাদেশ’ এবং চ্যানেল আইয়ের টাইটেল সং দিয়ে সূচনা পর্বের পরিবেশনায় ছিলো কয়েক প্রজন্মের এক ঝাঁক কণ্ঠশিল্পী।এরপরেই মঞ্চে প্রবেশ দুই উপস্থাপক অপু মাহফুজ ও নীল হুরে জাহান এর। তারা অনুষ্ঠান উপভোগের জন্য স্বাগত জানান বগুড়া বাসীদের।
আমি অভিভুত
রুনা লায়লা
চ্যানেল আই বরাবরই এমন একটা উদ্যোগ নিয়ে আসছে। এটাতো বড় একটা বিষয়। বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নতুন নতুন শিল্পী নিয়ে আসছে। আমার তো মনে হয় এখন যত শিল্পী কাজ করছে তাদের অধিকাংশই চ্যানেল আই এর আবিস্কার। প্রথম থেকেই এটার উপর তারা ফোকাস করছে। নতুন নতুন শিল্পী তুলে আনছে, গ্রুমিং করছে, পুরস্কার দিয়ে উৎসাহিত করছে। একজন শিল্পী হিসেবে এটা আমার কাছে খুবই আনন্দের। আমার খুব ভালো লাগে। ২০ বছর ধরে এটা মেইন টেইন করছে। প্রতিনিয়ত ভালো করার চেষ্টা করছে। কালচারাল ফিল্ড এ এটা তাদের বিশাল একটা অবদান। শুধু নতুন নয়, পুরনোদেরও ফিরিয়ে আনা, এই যে আজম খানের ব্যান্ড দল উচ্চারণকে নুতন ভাবে মঞ্চে আনা এটাতো খুবই প্রশংসনীয়। আমার দোয়া এবং ভালোবাসা সব সময় ওদের জন্য। বিশেষ করে ফরিদুর রেজা সাগর এটার সঙ্গে যেভাবে জড়িয়ে থাকে, যে পরিশ্রম করে, তারপর শাইখ সিরাজ, পুরো টিমটাই প্রশংসনীয়। দোয়া করি এটা যেন তারা মেইনটেইন করতে পারে।মুগ্ধতা ছড়িয়েছে বগুড়া
বগুড়ায় এই আসরটি বসার অন্যতম একটি কারণ ছিলো আমাদের সঙ্গীত অঙ্গনের অনেক শিল্পী আছেন যাদের জন্মস্থান বগুড়া। সেই সব সম্মানিত শিল্পীরা হলেন- বেদার উদ্দিন আহমেদ, সাইফুল ইসলাম, আঞ্জুমান আরা বেগম, খন্দকার ফারুক আহমেদ, নাদিরা বেগম, শওকত হায়াত খান, আজমল হুদা মিঠু, ফাতেমা তুজ জোহরা, মোহাম্মদ খুরশিদ আলম, তানভীর আলম সজীব, আলতাফ হোসেন, নুরুল আলম লাল, জাহানারা লাইজু, হোসনেয়ারা আরজু, মেজবা বাপ্পি, নুরুল ইসলাম, রফিকুল আলম টিপু ও লুইপা এর মত জনপ্রিয় শিল্পীরা এই মাটিরই সন্তান। তাদের গান আমাদের নিয়ে যায় নস্টালজিক সুরের আঙিনায়।
আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...

ঢাকাই চলচ্চিত্রে যুগে যুগে নায়ক এসেছেন, গেছেন। কেউ কয়েক বছর আলো ছড়িয়েছেন, কেউ এক যুগ রাজত্ব করেছেন, আবার সময়ের স্রোতে হারিয়েও গেছেন। কিন্তু একটা নাম দুই যুগের বেশি সময় ধরে বারবার ফিরে এসেছে দর্শকের মুখে

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির বার্ষিক সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের অংশ হিসেবে অতি সম্প্রতি নন্দিত লেখক, পরিচালক হুমায়ূন আহমেদের কর্মময় জীবন নিয়ে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। হুমায়ূনের সিনেমার প্রদর্শনীর পাশাপাশি

বাংলাদেশে ফুটবলকে বিষয় করে মাত্র দুটি সিনেমা নির্মিত হয়েছে। এর মধ্যে ফরিদুর রেজা সাগরের লেখা কাহিনী অবলম্বনে রায়হান রাফি পরিচালিত ‘দামাল’ ব্যাপক আলোচিত সিনেমা। ইমপ্রেস প্রযোজিত এই সিনেমাটি শুধু ফুটবল নয় ফুটবলকে

শিল্পী মানেই ভালোবাসা আর সম্মানের কাঙাল। জীবনে কখনোই অর্থ-বিত্তের হিসাব করিনি, চেয়েছি শুধু মানুষের ভালোবাসা। সেই ভালোবাসাই আমাকে আজকের আমি বানিয়েছে। পরিবার, দেশের মানুষ, দেশের বাইরে ছড়িয়ে

শিল্পীরা সম্মান চান। দর্শকের ভালোবাসা, সহকর্মীদের শ্রদ্ধা আর কাজের স্বীকৃতিই একজন শিল্পীর সবচেয়ে বড় সম্পদ। আর সেই সম্মান যখন নিঃস্বার্থ ভালোবাসা, আন্তরিকতা এবং হৃদয়ের গভীর থেকে উঠে আসে কৃতজ্ঞতার মোড়কে,

চন্দ্রমুখী না পার্বতী? কে দেবদাসকে বেশি ভালোবাসে? কিংবা দেবদাসই বা কাকে বেশি ভালোবেসেছিলেন? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই হয়তো শত বছর পরও বাঙালির হৃদয়ে বেঁচে আছে ‘দেবদাস’

আমাদের সিনেমা, সঙ্গীত ও নাটকের অঙ্গনে এক ঝাঁক মহিলা তারকা আছেন যারা আপন সহোদর অর্থাৎ আপন বোন। তেমনি শোবিজের জনপ্রিয় ছোট- বড় আদরের বোনদের নিয়েই বিশেষ প্রতিবেদন ‘তারকা বোনদের গল্প

গত মাস থেকেই আলোচনায় রকস্টার। শুরুতেই প্রকাশ পায় সিনেমার লুক। এরপর আলোচনায় আসে অ্যানিমেশন টিজার। দর্শক ভিন্ন এক শাকিব খানকে দেখেন..