
২৭ বছর পরও শীর্ষে শাকিব খান
ঢাকাই চলচ্চিত্রে যুগে যুগে নায়ক এসেছেন, গেছেন। কেউ কয়েক বছর আলো ছড়িয়েছেন, কেউ এক যুগ রাজত্ব করেছেন, আবার সময়ের স্রোতে হারিয়েও গেছেন। কিন্তু একটা নাম দুই যুগের বেশি সময় ধরে বারবার ফিরে এসেছে দর্শকের মুখে

শিল্পী মানেই ভালোবাসা আর সম্মানের কাঙাল। জীবনে কখনোই অর্থ-বিত্তের হিসাব করিনি, চেয়েছি শুধু মানুষের ভালোবাসা। সেই ভালোবাসাই আমাকে আজকের আমি বানিয়েছে। পরিবার, দেশের মানুষ, দেশের বাইরে ছড়িয়ে থাকা বাংলা ভাষাভাষী অসংখ্য মানুষের ভালোবাসা আর আশীর্বাদেই আমার পথচলা। কিন্তু জীবনে এমন একটি দিন আসবে, এমন সম্মান আমার জন্য অপেক্ষা করে থাকবে-কোনোদিন কল্পনাও করিনি। ভালোবাসা ও সম্মানের স্মারক হিসেবে একটি সোনার কলস! কথাটা শুনতেও অবিশ্বাস্য লাগে। অথচ সেটাই সত্যি হয়ে ধরা দিল আমার জীবনে।
গতকাল বিকেলে আমি জিম করছিলাম। হঠাৎ চ্যানেল আই থেকে রহমান (সাংবাদিক আবদুর রহমান) ভাইয়ের ফোন। বললেন, ‘কোথায় তুমি? দ্রুত চ্যানেল আইয়ে চলে আসো, জরুরি কাজ আছে।’ কিসের জরুরি কাজ, কেন ডাকছেন-কিছুই জানতাম না। বাসায় ফিরে তড়িঘড়ি করে রেডি হলাম। বসুন্ধরার বাসা থেকে ছুটে গেলাম তেজগাঁওয়ে চ্যানেল আই অফিসে।
চ্যানেল আইয়ে ঢুকেই অন্যরকম অনুভূতি হলো। যেখানে এতবার গেছি, সেটিকে নতুন লাগছিল। চারপাশের আয়োজন, পরিবেশ, মানুষের মুখের হাসি-সবকিছু যেন বিশেষ মুহূর্তের অপেক্ষায়। তারপর এলো সেই মুহূর্ত। হঠাৎ দেখি সাগর (ফরিদুর রেজা সাগর) ভাইয়ের হাতে একটি সোনার কলস। সেটি নাকি আমার জন্যই! সত্যি বলতে, আমি কিছুক্ষণের জন্য স্পিচলেস হয়ে যাই। মনে হচ্ছিল, এটা কি সত্যিই ঘটছে? চ্যানেল আইয়ের মতো দেশের এত বড় একটি প্রতিষ্ঠান, সেই প্রতিষ্ঠানের প্রাণপুরুষ আমাদের সাগর ভাই-তাঁর হাত থেকে এমন সম্মাননা গ্রহণ করছি! ওই মুহূর্তে আমি সত্যিই ভাষা হারিয়ে ফেলি। অনেক চেষ্টা করে কান্না লুকিয়েছি।
আমরা সবাই জানি, চ্যানেল আই শুধু একটি টেলিভিশন চ্যানেল নয়; শিল্পীদের প্রাণের জায়গা। আর সাগর ভাই আমাদের কাছেই অভিভাবকের মতো। জীবনের নানা সংকট, দুঃসময় কিংবা পেশাগত কাজেও তাঁকে সবসময় পাশে পেয়েছি। তাঁর পরামর্শ, স্নেহ, মমতা আর ছায়া আমাদের সাহস জুগিয়েছে। সেই তিনি আমাকে এভাবে সম্মানিত করবেন, এভাবে ভালোবাসার ঋণে আবদ্ধ করবেন-কোনোদিন ভাবিনি।
সোনার কলসটির মূল্য হয়তো সোনায় মাপা যাবে। কিন্তু আমার কাছে এর মূল্য তার চেয়েও অনেক বেশি। এর ভেতরে আছে ভালোবাসা, শ্রদ্ধা, একজন অভিভাবকের আশীর্বাদ এবং দীর্ঘ শিল্পীজীবনের স্বীকৃতি। আজীবন অনেক পুরস্কার, সম্মান পেয়েছি। কিন্তু এই উপহার আমার কাছে সবকিছুর চেয়ে আলাদা। আমার শিল্পীজীবনের সবচেয়ে ইমোশনাল, সবচেয়ে স্মরণীয় এবং সবচেয়ে মূল্যবান প্রাপ্তি হয়ে থাকবে এই সোনার কলস।
আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...

ঢাকাই চলচ্চিত্রে যুগে যুগে নায়ক এসেছেন, গেছেন। কেউ কয়েক বছর আলো ছড়িয়েছেন, কেউ এক যুগ রাজত্ব করেছেন, আবার সময়ের স্রোতে হারিয়েও গেছেন। কিন্তু একটা নাম দুই যুগের বেশি সময় ধরে বারবার ফিরে এসেছে দর্শকের মুখে

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির বার্ষিক সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের অংশ হিসেবে অতি সম্প্রতি নন্দিত লেখক, পরিচালক হুমায়ূন আহমেদের কর্মময় জীবন নিয়ে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। হুমায়ূনের সিনেমার প্রদর্শনীর পাশাপাশি

বাংলাদেশে ফুটবলকে বিষয় করে মাত্র দুটি সিনেমা নির্মিত হয়েছে। এর মধ্যে ফরিদুর রেজা সাগরের লেখা কাহিনী অবলম্বনে রায়হান রাফি পরিচালিত ‘দামাল’ ব্যাপক আলোচিত সিনেমা। ইমপ্রেস প্রযোজিত এই সিনেমাটি শুধু ফুটবল নয় ফুটবলকে

শিল্পীরা সম্মান চান। দর্শকের ভালোবাসা, সহকর্মীদের শ্রদ্ধা আর কাজের স্বীকৃতিই একজন শিল্পীর সবচেয়ে বড় সম্পদ। আর সেই সম্মান যখন নিঃস্বার্থ ভালোবাসা, আন্তরিকতা এবং হৃদয়ের গভীর থেকে উঠে আসে কৃতজ্ঞতার মোড়কে,

চন্দ্রমুখী না পার্বতী? কে দেবদাসকে বেশি ভালোবাসে? কিংবা দেবদাসই বা কাকে বেশি ভালোবেসেছিলেন? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই হয়তো শত বছর পরও বাঙালির হৃদয়ে বেঁচে আছে ‘দেবদাস’

আমাদের সিনেমা, সঙ্গীত ও নাটকের অঙ্গনে এক ঝাঁক মহিলা তারকা আছেন যারা আপন সহোদর অর্থাৎ আপন বোন। তেমনি শোবিজের জনপ্রিয় ছোট- বড় আদরের বোনদের নিয়েই বিশেষ প্রতিবেদন ‘তারকা বোনদের গল্প

গত মাস থেকেই আলোচনায় রকস্টার। শুরুতেই প্রকাশ পায় সিনেমার লুক। এরপর আলোচনায় আসে অ্যানিমেশন টিজার। দর্শক ভিন্ন এক শাকিব খানকে দেখেন..

হাওয়ার পর চার বছর বিরতি দিয়ে রইদ নিয়ে ফিরছেন মেজবাউর রহমান সুমন। সিনেমার ট্রেলার ও পোস্টার আলোচনায় এসেছে। প্রশংসা পাচ্ছে সিনেমার গান...