
২৭ বছর পরও শীর্ষে শাকিব খান
ঢাকাই চলচ্চিত্রে যুগে যুগে নায়ক এসেছেন, গেছেন। কেউ কয়েক বছর আলো ছড়িয়েছেন, কেউ এক যুগ রাজত্ব করেছেন, আবার সময়ের স্রোতে হারিয়েও গেছেন। কিন্তু একটা নাম দুই যুগের বেশি সময় ধরে বারবার ফিরে এসেছে দর্শকের মুখে
দামাল এর মতো ভালো সিনেমা চাই
বাংলাদেশে ফুটবলকে বিষয় করে মাত্র দুটি সিনেমা নির্মিত হয়েছে। এর মধ্যে ফরিদুর রেজা সাগরের লেখা কাহিনী অবলম্বনে রায়হান রাফি পরিচালিত ‘দামাল’ ব্যাপক আলোচিত সিনেমা। ইমপ্রেস প্রযোজিত এই সিনেমাটি শুধু ফুটবল নয় ফুটবলকে ঘিরে দেশাত্ববোধের এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। ফুটবল বিশ্বকাপ উপলক্ষে ‘দামাল’ নিয়ে আনন্দ আলোয় প্রকাশিত প্রতিবেদনটি পুণ: প্রকাশ করা হল... Ñসম্পাদক
ঘটনাটা অনেকটাই কাকতালীয়। নারী ফুটবল দলকে ঘিরে ঘটনা শুরু। বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল একটি আন্তর্জাতিক ফুটবল টুর্নামেন্টের সবগুলো ম্যাচে হেরেছে। তাই চরম হতাশা তাদের মধ্যে। চারদিকে ব্যাপক আলোচনা, সমালোচনা। মেয়েদের দিয়ে ফুটবল হবে না। কিন্তু তাদের অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে ওঠেন স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের তৎকালীন ম্যানেজার। ‘দামাল’ সিনেমার গল্প শুরু হয় মূলতঃ এখান থেকেই।
লেখার শুরুতে ‘কাকতালীয়’ শব্দটা ব্যবহার করেছি। এর একটা ব্যাখ্যা প্রয়োজন। কাকতালীয় শব্দের অর্থ অনেকটা একটি ঘটনার সাথে অন্য একটি ঘটনা মিলে যাওয়া। দুটি ঘটনার মধ্যে কোনো কালেই যোগসূত্র ছিল না। অথচ ঘটে যায় এক সাথে। বাস্তবে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল এখন সবার আগ্রহের বিষয়। সাফ চ্যাম্পিয়নশীপ ট্রফি জিতেছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। আর তাই সর্বত্রই নারী ফুটবল দলের সদস্যরা আত্মার আত্মীয় হয়ে উঠেছে। ফুটবলার মেয়েরা যেখানেই যায় সেখানেই ভীড় লেগে থাকে। ফুটবলের একটি আন্তর্জাতিক শিরোপা নারী ফুটবলারদেরকে অনন্য মর্যাদার আসন উপহার দিয়েছে। সেই সময় দামাল সিনেমায় কাহিনীর গুরুত্ব পেয়েছে নারী ফুটবলাররাই। পার্থক্য শুধু হার এবং জিতের। দামালের কাহিনীতে নারী ফুটবলাররা হেরেছে। তবে উভয় সময়ের গল্প কিন্তু ফুটবলকে ঘিরেই।
বহুদিন ধরেই ‘দামাল’ নামে একটি নতুন সিনেমার কথা শোনা যাচ্ছিল। দেশসেরা সিনেমা নির্মাণ প্রতিষ্ঠান ইমপ্রেস এর এই নতুন সিনেমার কাহিনী লিখেছেন দেশ বরেণ্য শিশুসাহিত্যিক ফরিদুর রেজা সাগর। আর সিনেমাটি বানিয়েছেন সময়ের ব্যাপক জনপ্রিয় চলচ্চিত্র নির্মাতা রায়হান রাফি।
দামাল একদিকে ফুটবলের জাগরণ অন্যদিকে মহান স্বাধীনতা আন্দোলনের গৌরবদীপ্ত সময়ের প্রতিচ্ছবি।
একাত্তরে বাংলার মাটিতে যখন দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধারা পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রাণপনে লড়াই করছিলো, ঠিক তখনই প্রতিবেশি দেশ ভারতের অভ্যন্তরে এক অন্যরকম যুদ্ধ নেমেছিল বাংলার একদল দামাল ছেলে। তারা ভারতের ফুটবল মাঠে দাঁপিয়ে বেড়িয়েছে। বেশ কিছু প্রদর্শনী ফুটবল ম্যাচ খেলেছে। মুক্তিযোদ্ধা ও শরনার্থীদের জন্য তহবিল সংগ্রহ করেছে। স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের সে সব খেলা ও খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত জীবন থেকে অনুপ্রাণিত হয়েই নির্মিত হয়েছে সময়ের বহুল আলোচিত সিনেমা দামাল। একই সাথে এই চলচ্চিত্রে উঠে এসেছে যুদ্ধ চলাকালীন বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটও।
দামাল চলচ্চিত্রে শুরুটা বর্তমান সময়কেই ঘিরে। বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল একটি আন্তর্জাতক ফুটবল টুর্নামেন্টের সবগুলো ম্যাচ হেরেছে। মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত তারা। সমালোচনার চাপে তারা এক পর্যায়ে খেলা ছেড়ে দেবার সিদ্ধান্ত নেয়। এমন পরিস্থিতিতে দলের ফুটবল কোচ নারী ফুটবলারদের সামনে হাজির করেন স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের তৎকালীন ম্যানেজারকে। তিনিই নারী ফুটবলারদের শোনান একাত্তরের সেই যুদ্ধ দিনের কথা।
আমরা সবাই জানি মহান স্বাধীনতা আন্দোলনে স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের অবিস্মরনীয় ভূমিকা ছিল। দুর্জয়, মুন্না ও মনির এই তিনটি নাম ছিল স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের অহংকার। মূলতঃ দুর্জয়, মুন্না ও মনিরকে ঘিরেই আবর্তিত হয়েছে দামাল এর গল্প।

দুর্জয় একটু রগচটা স্বভাবের। তবে খুবই মেধাবী স্ট্রাইকার। কিন্তু পাকিস্তানী কোচের রোষানলে পড়ে ভালো কোনো ফুটবল ক্লাবে সুযোগ পায় না। এদিকে মুন্না খেলার জন্য এতই পাগল যে বিয়ের আসরে কোনো মতে কবুল বলেই ছুটে যায় খেলার মাঠে। এক সময় দেশে মহান স্বাধীনতা আন্দোলনের দামামা বেজে ওঠে। ২৫ মার্চের কালরাত্রি বাঙ্গালির হাজারো স্বপ্নকে লন্ডভন্ড করে দেয়। দেশের সাধারন মানুষের মত খেলোয়াড়রা মাঠ ছেড়ে দলে দলে যোগ দেয় মহান মুক্তিযুদ্ধে। যুদ্ধকালীন সময়েই রেডিওতে ভেসে আসে স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলে যোগ দেওয়ার আহবান। খেলোয়াড়দের অনেকেই বন্দুক ছেড়ে তুলে নেয় ফুটবল। দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের পক্ষে জনমত সৃষ্টি ও মুক্তিযোদ্ধাদের মনোবল সুদৃঢ় করতেই স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল নদীয়া একাদশ, মোহনবাগান, মহারাষ্ট্র একাদশ সহ ভারতের বড় বড় ফুটবল ক্লাবের বিরুদ্ধে ফুটবল খেলতে থাকে। এদিকে রনাঙ্গণে কোনঠাসা হতে থাকে পাক হানাদার বাহিনী। একদিকে মুক্তিযুদ্ধের বিজয় অন্যদিকে খেলার মাঠের বিজয় স্বাধীনতাকামী কোটি কোটি মানুষের মাঝে অযুত প্রেরণা ও সাহসের জন্ম দেয়। স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের তৎকালীন ম্যানেজারের মুখে শোনা মুক্তিযুদ্ধের গল্প হতাশাগ্রস্থ নারী ফুটবলারদের মাঝে নতুন এক উদ্দীপনার জন্মদেয়। বদলে যায় নারী ফুটবল দল। পরাজয়ের বৃত্ত ভেঙ্গে জয়ের বৃত্ত তৈরি করতে থাকে তারা।
দামাল ফুটবলকে ঘিরে দেশ প্রেমে উদ্ধুব্দ একটি প্রেরণাদায়ী সিনেমা। এমন সিনেমা আরো নির্মিত হোক এই প্রত্যাশা আমাদের।
দামাল এর জন্য আমরা অনেক কষ্ট করেছি
বিদ্যা সিনহা মিম
বিদ্যা সিনহা মিম। দেশসেরা অভিনেত্রী। রায়হান রাফির সদ্য মুক্তি প্রাপ্ত ‘পরান’ সিনেমায় গুরুত্বপুর্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন। দামাল এর একজন গুরুত্বপুর্ন অভিনেত্রী। প্রসঙ্গ তুলতেই বললেন, সত্যিকথা বলতে কি আগের ছবি পরাণ এ আমাকে দেখে অনেকেই গালি দিয়েছিল। এবার দামাল দেখে তারা অবশ্যই আমার প্রশংসা করবে। পরাণ এর অনন্যা চরিত্রটাই ছিল গালি খাওয়ার মতো। আর দামাল এর হাসনা একেবারেই বিপরীতমুখি চরিত্র। হাসনার জন্য অনেকেই তালি দিবে বলে আমার বিশ্বাস।
মিম বলেন, দামাল এর হাসনা খুবই চ্যালেঞ্জিং চরিত্র। আমি মুক্তিযুদ্ধ দেখিনি। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের একটি সিনেমায় অভিনয় করতে পারলাম এটা অনেক আনন্দের ঘটনা। দামাল এর জন্য আমরা অভিনেতা-অভিনেত্রীরা অনেক কষ্ট করেছি। ছবিটা দেখলেই দর্শক সেটা বুঝতে পারবেন বলে আমার বিশ্বাস।
দামাল আমার ক্যরিয়ারের সেরা কাজ
রায়হান রাফি, পরিচালক
রায়হান রাফি। সময়ের বহুল আলোচিত চিত্র পরিচালক। সম্প্রতি তার নির্মিত নতুন সিনেমা ‘পরাণ’ দর্শকদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। মুক্তির আগেই ‘দামাল’কে ঘিরেও ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। টি স্পোর্টস ও বসুন্ধরা কিংস ইমপ্রেস এর এই নতুন সিনেমার প্রচার-প্রচারের সাথে যুক্ত হয়েছে। সিনেমাটির প্রচারের ক্ষেত্রে পরিচালক ইতিমধ্যেই অভিনব কিছু পদক্ষেপ নিয়েছেন।
ফরিদুর রেজা সাগরের গল্প অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের সিনেমা দামাল। পরিচালক রায়হান রাফি অনেকটা ক্ষোভের সাথেই বললেন, মুক্তিযুদ্ধ করে আমরা দেশ স্বাধীন করেছি। অথচ দেশে আজ পর্যন্ত মুক্তিযুদ্ধকে ঘিরে বিশ্বমানের কোনো সিনেমা নির্মিত হয়নি। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে যে সব সিনেমা নির্মিত হয়েছে সে গুলোর বেশির ভাগই সরকারি অনুদানের সিনেমা। বানিজ্যিক ভাবে কেউই মুক্তিযুদ্ধের সিনেমা বানাতে চান না। সেই বাস্তবতায় ইমপ্রেস তা নেতৃত্বে আমরা আমাদের সবটুকু শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের একটি ভালো সিনেমা নির্মাণের চেষ্টা করেছি। আমি মনে করি সব শ্রেণীর দর্শক দামালকে পছন্দ করবে। সত্যি কথা বলতে কী ‘দামাল’ নির্মাণের জন্য আমরা অনেক কষ্ট করেছি। দামাল এখন পর্যন্ত আমার ক্যারিয়ারের সেরা কাজ। এজন্য ইমপ্রেস টেলিফিল্ম এর প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। সেই সাথে টি স্পোর্টস ও বসুন্ধরা কিংসকেও ধন্যবাদ। বাংলা সিনেমার জয় হোক।
দামাল একটি ভালো সিনেমা
সিয়াম আহমেদ, চিত্রনায়ক
দামাল এ ফুটবল দলের ক্যাপ্টেন হিসেবে শরিফুল রাজ ও স্ট্রাইকার হিসেবে সিয়াম আহমেদ অভিনয় করেছেন। দামাল এর ব্যাপারে ব্যাপক উচ্ছ্বাস প্রকাশ করলেন সিয়াম আহমেদ। দেখুন একটা সিনেমার জন্য কত যে শ্রম আর মেধা খরচ হয় সেটা পর্দার সামনে বসে অনুভব করা সম্ভব নয়। একটা ছোট্ট ঘটনার কথা বলি। দামাল এর স্যুটিং যখন চলছিল তখন রোজ সকালে আমরা মাঠে যেতাম। রোদের মধ্যে ফুটবল খেলতাম। একটা দৃশ্যের কথা বলি। আমি আর রাজ মাঠে দৌড়াচ্ছিলাম। অবস্থা এমন দাঁড়ায় যে আমরা দৌঁড়াতে দিয়ে দু’জনই বমি করে ফেলি। তবুও আমরা থামিনি। কারণ ওটাই ওকে শর্ট ছিল। আমরা থামলে শর্ট টা নষ্ট হয়ে যেত। দামাল দেখলে দর্শক নিশ্চয়ই বুঝতে পারবেন একটি ভালো সিনেমার জন্য কতটা কষ্ট করতে হয়।
দামাল সবার দেখা উচিৎ
শরিফুল রাজ, চিত্রনায়ক
দামাল-এ ফুটবল দলের ক্যাপ্টেন হিসেবে অভিনয় করেছেন সময়ের আলোচিত চিত্র নায়ক শরিফুল রাজ। তিনি বলেন, দামাল আসলে মুক্তিযুদ্ধের ছবি। আমি মুক্তিযুদ্ধ দেখিনি। কারণ মুক্তিযুদ্ধের সময় আমার জন্ম হয়নি। আমি মুক্তিযুদ্ধের পরের প্রজন্ম। তবে দামাল-এ অভিনয় করার সময় প্রতি নিয়ত মহান মুক্তিযুদ্ধকে অন্তরে অনুভব করেছি। আমার বিশ্বাস দামাল প্রতিটি দেশ প্রেমক মানুষকে একটু হলেও ভাবাবে। যারা বলেন, আমাদের দেশে ভালো সিনেমা হয় না তারা ভুল বলেন। হলে এসে দামাল সিনেমাটি তাদের দেখা উচিৎ।

দামাল-এ যারা অভিনয় করেছেন
সিয়াম আহমেদ, সাহনাজ সুমি, শরিফুল রাজ, বিদ্যা সিনহা মিম, ইনতেখাব দিনার, কায়েস চৌধুরী, আহসান হাবিব নাসিম, সমু চৌধুরী, সুমিত সেনগুপ্ত, নাসির উদ্দিন খান, টাইগার রবি, সাইদ বাবু, আজম খান, রাশেদ মামুনুর রহমান অপু, এ কে আজাদ সেতু, মিলি বাশার, নাজিবা বাশার, হামিদুর রহমান, মীর নাসিমুল ইসলাম সেলিম, মাহমুদ আলম, শেখ মাহবুবুর রহমান, রিজওয়ান রোহান, সাবিহা জামান, আবুল কালাম আজাদ, বৈদ্যনাথ সাহা, ইন্দ্রাণী ঘটক, নুসরাত জাহান নদী, দাউদ নূর, সারওয়াদ আজাদ বৃষ্টি, সামিয়া অথৈ, পূজা আগ্নেস ক্রুজ।
কথাটি আমি জোর দিয়েই বলি
ফরিদুর রেজা সাগর, কাহিনকার, দামাল
ব্যবস্থাপনা পরিচালক চ্যানেল আই
ইমপ্রেস এর দামাল মুক্তিযুদ্ধের ছবি। রায়হান রাফি ছবিটি পরিচালনা করেছেন। দেশের নামকরা অভিনেতা-অভিনেত্রীরা এই ছবিতে অভিনয় করেছেন। আমি শুধু একটা কথাই জোর দিয়ে বলতে চাই, অনেক ভালো একটা ছবি বানিয়েছে রায়হান রাফি। ইমপ্রেস প্রযোজিত ছবিটি দেখলেই বুঝতে পারবেন আমি কেন একথা বলছি। বাংলা সিনেমার জয় হোক।
আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...

ঢাকাই চলচ্চিত্রে যুগে যুগে নায়ক এসেছেন, গেছেন। কেউ কয়েক বছর আলো ছড়িয়েছেন, কেউ এক যুগ রাজত্ব করেছেন, আবার সময়ের স্রোতে হারিয়েও গেছেন। কিন্তু একটা নাম দুই যুগের বেশি সময় ধরে বারবার ফিরে এসেছে দর্শকের মুখে

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির বার্ষিক সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের অংশ হিসেবে অতি সম্প্রতি নন্দিত লেখক, পরিচালক হুমায়ূন আহমেদের কর্মময় জীবন নিয়ে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। হুমায়ূনের সিনেমার প্রদর্শনীর পাশাপাশি

শিল্পী মানেই ভালোবাসা আর সম্মানের কাঙাল। জীবনে কখনোই অর্থ-বিত্তের হিসাব করিনি, চেয়েছি শুধু মানুষের ভালোবাসা। সেই ভালোবাসাই আমাকে আজকের আমি বানিয়েছে। পরিবার, দেশের মানুষ, দেশের বাইরে ছড়িয়ে

শিল্পীরা সম্মান চান। দর্শকের ভালোবাসা, সহকর্মীদের শ্রদ্ধা আর কাজের স্বীকৃতিই একজন শিল্পীর সবচেয়ে বড় সম্পদ। আর সেই সম্মান যখন নিঃস্বার্থ ভালোবাসা, আন্তরিকতা এবং হৃদয়ের গভীর থেকে উঠে আসে কৃতজ্ঞতার মোড়কে,

চন্দ্রমুখী না পার্বতী? কে দেবদাসকে বেশি ভালোবাসে? কিংবা দেবদাসই বা কাকে বেশি ভালোবেসেছিলেন? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই হয়তো শত বছর পরও বাঙালির হৃদয়ে বেঁচে আছে ‘দেবদাস’

আমাদের সিনেমা, সঙ্গীত ও নাটকের অঙ্গনে এক ঝাঁক মহিলা তারকা আছেন যারা আপন সহোদর অর্থাৎ আপন বোন। তেমনি শোবিজের জনপ্রিয় ছোট- বড় আদরের বোনদের নিয়েই বিশেষ প্রতিবেদন ‘তারকা বোনদের গল্প

গত মাস থেকেই আলোচনায় রকস্টার। শুরুতেই প্রকাশ পায় সিনেমার লুক। এরপর আলোচনায় আসে অ্যানিমেশন টিজার। দর্শক ভিন্ন এক শাকিব খানকে দেখেন..

হাওয়ার পর চার বছর বিরতি দিয়ে রইদ নিয়ে ফিরছেন মেজবাউর রহমান সুমন। সিনেমার ট্রেলার ও পোস্টার আলোচনায় এসেছে। প্রশংসা পাচ্ছে সিনেমার গান...