
নান্দনিক, সাশ্রয়ী ও টেকসই স্থাপত্যের নকশা করে যাচ্ছেন স্থপতি : রাফি মাহমুদ
রাফি মাহমুদ। বাংলাদেশের একজন স্বনামধন্য স্থপতি। দীর্ঘ দুই দশকের ও বেশি সময় ধরে আধুনিক স্থাপত্য শিল্পে নান্দনিক, সাশ্রয়ী ও টেকসই স্থাপনার নকশা তৈরি করে যাচ্ছেন

সার্বজনীনতা, দেশপ্রেম, প্রকৃতি ও মানুষের প্রতি মমত্ববোধকে ধারণ করে নিজস্ব নকশা-দর্শন গড়ে তুলেছেন স্থপতি তাসমিয়া জামান সিনথিয়া। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য ডিসিপ্লিনে পড়াশোনা করা এই স্থপতি বর্তমানে ‘বিল্ডোরা’-প্রতিষ্টানের প্রিন্সিপাল আর্কিটেক্ট ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর। দেশের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র, কানাডাসহ বিশ্বের কয়েকটি দেশে তাঁর নকশায় নির্মিত হয়েছে একাধিক আবাসিক, বাণিজ্যিক ও কনটেইনার হোম প্রকল্প। এবার শাহ সিমেন্টের ‘নির্মাণে আমিতে’ আয়োজনে এই প্রতিভাবান স্থপতিকে নিয়ে প্রতিবেদন। লিখেছেন: মোহাম্মদ তারেক
মেয়েটির বয়স কতই বা হবে-আট অথবা নয়। প্রতিদিন স্কুলে যাওয়া-আসার পথে উঁচু উঁচু ভবনের দিকে তাকিয়ে ভাবত, “আহা, যদি এমন একটি ভবনের নকশা আমি করতে পারতাম!” বাসায় ফিরে ওষুধের খালি বাক্স দিয়ে বাড়ির নকশা বানিয়ে হারিয়ে যেত নিজের কল্পনার জগতে। সেই ছোট্ট মেয়েটির স্বপ্নই একদিন বাস্তবে রূপ নেয়। আজ তিনি স্থপতি তাসমিয়া জামান সিনথিয়া।
খুলনা জেলায় জন্ম ও বেড়ে ওঠা। তাসমিয়ার বাবা প্রয়াত মো. মনিরুজ্জামান এবং মা জেবুন্নেছা খাতুন দুজনেই ছিলেন ব্যাংকার। খুলনার সরকারি করোনেশন বালিকা বিদ্যালয় থেকে ২০০৪ সালে এসএসসি এবং খুলনা সিটি কলেজ থেকে ২০০৭ সালে এইচএসসি সম্পন্ন করে তিনি ভর্তি হন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য ডিসিপ্লিনে। ২০১৪ সালে সেখান থেকেই স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর পেশাগত জীবন গড়ার লক্ষ্য নিয়ে ঢাকায় এসে শুরু হয় তাঁর স্থাপত্যচর্চার নতুন অধ্যায়।

পেশাগত জীবনের শুরুতেই তিনি কাজ করার সুযোগ পান খ্যাতিমান স্থপতি শরিফ উদ্দিন আহমেদের প্রতিষ্ঠিত ‘স্থাপতিক’ ফার্মে। সেখানে কিছুদিন কাজ করার পর যোগ দেন প্রখ্যাত স্থপতি সালাউদ্দিন আহমেদের অধীনে ‘এটালিয়ার রবিন আর্কিটেক্টস’-এ। সেখানে সাড়ে চার বছরের কর্মজীবনে তিনি শুধু স্থাপত্যের কারিগরি বিষয়ই শেখেননি; শিখেছেন কাজের প্রতি পেশাদারিত্ব, একাগ্রতা, সূক্ষ্ম বিষয়ের প্রতি গভীর মনোযোগ এবং আপসহীন সততার মূল্য। একজন স্থপতি হিসেবে তাঁর চিন্তাভাবনা, নকশা-দর্শন ও পেশাগত মূল্যবোধ গঠনে সালাউদ্দিন আহমেদের অবদান অনস্বীকার্য।
২০২০ সালে করোনা মহামারির সময়, যখন বিশ্বজুড়ে নির্মাণ ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম অনেকটাই স্থবির হয়ে পড়েছিল, তখনই তাসমিয়ার পেশাজীবনে আসে এক গুরুত্বপূর্ণ মোড়। অনলাইনের মাধ্যমে তাঁর পরিচয় হয় যুক্তরাষ্ট্রের কনটেইনার হোম নির্মাতা প্রতিষ্ঠান পরিচালনাকারী উদ্যোক্তা চার্লি মিলানের সঙ্গে। সেই পরিচয় থেকেই শুরু হয় আন্তর্জাতিক পরিসরে তাঁর স্থাপত্যচর্চার নতুন অধ্যায়। বাংলাদেশে বসেই তিনি ও তাঁর টীম চার্লির ক্লায়েন্টদের জন্য কনটেইনার হোমের আর্কিটেকচারাল, স্ট্রাকচারাল, গঊচ-সহ নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় পূর্ণাঙ্গ ড্রয়িং প্রস্তুত করতে থাকেন। সেই সহযোগিতার মধ্য দিয়েই বিদেশের মাটিতে তাঁর নকশার বাস্তবায়ন শুরু হয়। পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ঘানাসহ আরও কয়েকটি দেশে তাঁর নকশায় নির্মিত হয়েছে বিভিন্ন আবাসিক ও কনটেইনার হোম প্রকল্প। আন্তর্জাতিক পরিসরে এই অভিজ্ঞতা তাঁকে কনটেইনার হোম নকশায় একটি স্বতন্ত্র পরিচিতি এনে দেয়।
বর্তমানে তাসমিয়া জামান সিনথিয়া ‘বিল্ডোরা’-এর প্রিন্সিপাল আর্কিটেক্ট ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর হিসেবে প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেন।
তাঁর উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের আরকানসাসের লেক হ্যামিল্টন লেক হাউস, ভার্জিন আইল্যান্ডসের ক্রাউন অব ক্যারিবিয়ান, অস্ট্রেলিয়ার ব্রিসবেনের রোজ হাউজ, ফ্লোরিডার ক্রফোর্ডভিলের জি ফোর ট্রেনিং সেন্টার, যুক্তরাষ্ট্রের মিসিসিপির মামা স্ক্র্যাপস, নেমভার্ড রেসিডেন্স, অন্টারিও, কানাডা, খুলনার বসুপাড়ার জামান রেসিডেন্স, কেরানীগঞ্জের স্কাইলাইন রেসিডেন্স, এনসিউর লেক সিটির শেখ রেসিডেন্স ও করিম ভিলা, কেরানীগঞ্জের শুকতারা ভ্যাকেশন হাউজ, কুমিল্লার জেনেক্স মডেল স্কুল ইন্টেরিয়র, বারিধারার অরবিন্দ ডেনিম ইন্টেরিয়র, অঃযষীঁ ঠবহঃঁৎব, মিরপুর ডিওএইচএস এবং কনকর্ড গুলশান-১-এর অ্যাপার্টমেন্টের ইন্টেরিয়রসহ দেশ-বিদেশে আরও বহু আবাসিক, বাণিজ্যিক ও কনটেইনার হোম প্রকল্প।

স্থপতি তাসমিয়া জামান সিনথিয়া বলেন, “আমি বিশ্বাস করি, প্রতিটি স্থানের নিজস্ব একটি গল্প থাকে, আর একজন স্থপতির কাজ হলো সেই গল্পকে মানুষের জীবনযাপনের সঙ্গে অর্থবহভাবে যুক্ত করা। তাই কোনো নির্দিষ্ট ডিজাইন স্টাইল অনুসরণ করার পরিবর্তে আমি সবসময় প্রকল্প, মানুষ এবং প্রেক্ষাপটকে আগে বোঝার চেষ্টা করি। আমার কাছে স্থাপত্যের সৌন্দর্য তখনই পূর্ণতা পায়, যখন নান্দনিকতা ও ব্যবহারিকতা স্বাভাবিকভাবে একে অপরের পরিপূরক হয়ে ওঠে। তাই আমি এমন নকশা করতে ভালোবাসি, যা প্রথম দেখায় আকর্ষণীয়, আবার বহু বছর পরেও প্রাসঙ্গিক ও অর্থবহ থাকে।”
এই নকশা-দর্শনেরই একটি বাস্তব প্রতিফলন করিম ভিলা। মাওয়া হাইওয়ের নিকটবর্তী এনসিউর লেক সিটিতে প্রায় দশ বিঘা সবুজে ঘেরা ব্যক্তিগত জমির ওপর পরিকল্পিত এই ট্রিপ্লেক্স আবাসনটির নকশার মূল ভিত্তি ছিল প্রকৃতি, প্রেক্ষাপট এবং মানুষের জীবনযাপনের অভিজ্ঞতার মধ্যে একটি স্বাভাবিক ভারসাম্য তৈরি করা। শুরু থেকেই লক্ষ্য ছিল কেবল একটি বাড়ি নির্মাণ নয়; বরং এমন একটি বাসযোগ্য পরিবেশ সৃষ্টি করা, যেখানে ভবন ও প্রকৃতি একে অপরের পরিপূরক হয়ে ওঠে।

এই প্রকল্পে ভবনকে কখনোই জমির একমাত্র উপাদান হিসেবে ভাবা হয়নি; বরং পুরো সাইটটিকেই একটি সমন্বিত জীবনযাপনের পরিসর হিসেবে পরিকল্পনা করা হয়েছে। দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব দিকের অনুকূল বায়ুপ্রবাহ এবং মনোরম দৃশ্যকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বসবাসের প্রধান পরিসরগুলো বিন্যস্ত করা হয়েছে। প্রশস্ত ওপেনিং, কাচের ভাঁজ দরজা, বিস্তৃত ব্যালকনি, সেমি-আউটডোর স্পেস, উন্মুক্ত টেরেস এবং ল্যান্ডস্কেপড আঙিনার মাধ্যমে ঘরের ভেতর ও বাইরের পরিবেশের মধ্যে একটি স্বাভাবিক ধারাবাহিকতা সৃষ্টি হয়েছে, যেখানে ইনডোর ও আউটডোরের সীমারেখা ধীরে ধীরে মিলিয়ে যায়।

তাসমিয়ার ভাষায়, “একটি বাড়ি তখনই পরিপূর্ণ, যখন প্রকৃতি শুধু জানালার বাইরে সীমাবদ্ধ থাকে না; বরং প্রতিদিনের জীবনযাপনের অংশ হয়ে ওঠে।”
প্রকল্পটির একটি গুরুত্বপূর্ণ নকশাগত সিদ্ধান্ত ছিল অৎৎরাধষ ঊীঢ়বৎরবহপব বা প্রবেশের অভিজ্ঞতা। প্রবেশপথটি ইচ্ছাকৃতভাবে সংযত রাখা হয়েছে, যাতে পুরো বাড়িটি প্রথম মুহূর্তেই দৃশ্যমান না হয়। একটি দীর্ঘ, নিয়ন্ত্রিত প্রবেশপথ অতিক্রম করার পর ধীরে ধীরে ভবন, ল্যান্ডস্কেপ, জলাধার এবং পেছনের প্রাঙ্গণ দর্শনার্থীর সামনে উন্মোচিত হয়। এই ধাপে ধাপে উন্মোচিত হওয়ার অভিজ্ঞতাই প্রকল্পটিকে একটি স্বতন্ত্র স্থাপত্যিক চরিত্র দিয়েছে।
অভ্যন্তরীণ পরিকল্পনার কেন্দ্রে রয়েছে একটি সবুজ অভ্যন্তরীণ প্রাঙ্গণ, যা পুরো বাড়ির প্রাণকেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। লিভিং স্পেস, ফ্লোটিং সিঁড়ি ও লাইব্রেরি এই অভ্যন্তরীণ সবুজ প্রাঙ্গণকে কেন্দ্র করেই এমনভাবে বিন্যস্ত করা হয়েছে, যাতে বাড়িটিতে চলাচলের প্রতিটি মুহূর্ত আলো, প্রকৃতি ও স্থানের নতুন অভিজ্ঞতা এনে দেয়। এই প্রাঙ্গণ শুধু প্রাকৃতিক আলো ও বায়ুপ্রবাহ নিশ্চিত করে না; বরং পরিবারের বিভিন্ন পরিসরের মধ্যে একটি দৃশ্যগত ও মানসিক সংযোগও তৈরি করে। দিনের আলো, গাছের ছায়া, ঋতুর পরিবর্তন এবং প্রকৃতির উপস্থিতি প্রতিদিনই ভিন্ন ভিন্ন অভিজ্ঞতা নিয়ে আসে, যা ঘরের ভেতর থেকেও বাইরের পরিবেশের ছন্দ অনুভব করতে সাহায্য করে।

বাড়িটিতে পাঁচটি শয়নকক্ষ, ছয়টি সংযুক্ত বাথরুম, একটি অতিথিকক্ষ, গ্যারেজ, জিম, গেমস এরিয়া এবং পরিবারের বিভিন্ন প্রয়োজনের জন্য পরিকল্পিত একাধিক কমন স্পেস রয়েছে। ছাদের অংশে রুফটপ গার্ডেন ও বসার জায়গা রাখা হয়েছে, যাতে উন্মুক্ত আকাশের নিচে সময় কাটানোর একটি শান্ত পরিবেশ তৈরি হয়।
নকশার প্রতিটি সিদ্ধান্তে প্রাকৃতিক পরিবেশকে সর্বোচ্চ কাজে লাগানোর চেষ্টা করা হয়েছে। দক্ষিণমুখী বড় ওপেনিং কার্যকর ক্রস ভেন্টিলেশন ও পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো নিশ্চিত করে, ফলে দিনের বেশিরভাগ সময় কৃত্রিম আলো ও যান্ত্রিক শীতাতপ নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন কমে যায়। পশ্চিম দিকের পরিকল্পিত শেডিং ভবনের তাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করার পাশাপাশি সূর্যাস্ত উপভোগের সুযোগও তৈরি করে। ভবনের চারপাশের ল্যান্ডস্কেপকে স্থাপত্যেরই একটি সম্প্রসারিত অংশ হিসেবে পরিকল্পনা করা হয়েছে, যেখানে হাঁটার পথ, খোলা বসার জায়গা, সুইমিং পুল, প্যাটিও এবং সবুজ উন্মুক্ত পরিসর মিলিয়ে পুরো প্রকল্পটি একটি সমন্বিত আবাসিক অভিজ্ঞতায় পরিণত হয়েছে। তাসমিয়ার বিশ্বাস, একটি বাড়ি শুধু আশ্রয় নয়; এটি মানুষের জীবন, স্মৃতি ও ভবিষ্যতের অর্থবহ পরিসর। করিম ভিলার প্রতিটি নকশাগত সিদ্ধান্ত সেই দর্শনেরই বাস্তব প্রতিফলন।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে স্থপতি তাসমিয়া জামান সিনথিয়া বলেন, “বিল্ডোরার পথচলার ভিত্তিই হলো সততা, কমিটমেন্ট, স্বচ্ছতা এবং মানসম্পন্ন কাজ। আমি চাই বিল্ডোরা এমন একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হোক, যেখানে প্রতিশ্রুতি শুধু কথায় নয়, কাজের মাধ্যমেই প্রতিফলিত হয়। সময়মতো কাজ সম্পন্ন করা, নির্মাণের মানের সঙ্গে কোনো আপস না করা, ক্লায়েন্টের আস্থা অর্জন এবং একটি পেশাদার, জবাবদিহিমূলক ও শেখার সংস্কৃতি গড়ে তোলাই আমাদের অগ্রাধিকার। আমি বিশ্বাস করি, একটি ভবন কেবল ইট, বালু ও কংক্রিটের সমষ্টি নয়; এটি মানুষের স্বপ্ন, পরিশ্রম ও ভবিষ্যতের একটি অংশ। তাই বিল্ডোরায় প্রতিটি প্রকল্পকে আমরা নির্মাণকাজ হিসেবে নয়, মানুষের স্বপ্ন ও আস্থার দায়িত্ব হিসেবে দেখি।”
শাহ্ সিমেন্ট-আনন্দ আলো যৌথ উদ্যোগ নিয়ে
লোড হচ্ছে...

রাফি মাহমুদ। বাংলাদেশের একজন স্বনামধন্য স্থপতি। দীর্ঘ দুই দশকের ও বেশি সময় ধরে আধুনিক স্থাপত্য শিল্পে নান্দনিক, সাশ্রয়ী ও টেকসই স্থাপনার নকশা তৈরি করে যাচ্ছেন

ইট-পাথরের খাঁচায় সবুজের ছোঁয়া এনে স্থাপত্যশিল্পে নান্দনিক স্থাপনা করে যাচ্ছেন স্থপতি মোঃ মোসাব্বির হাসান। তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থাপত্য ডিসিপ্লিনে পড়াশোনা করেছেন। তাঁর রয়েছে “স্বপ্ন বুনন স্থাপত্য” নামের একটি

স্থপতি জিসান ফুয়াদ চৌধুরী স্থাপত্য পেশা ও শিক্ষকতার সাথে দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত আছেন। তিনি আহ্সান উল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য বিভাগ থেকে পড়াশোনা করেছেন। বর্তমানে এই স্থপতি একই বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য বিভাগে

আধুনিক স্থাপত্যশিল্পে পরিবেশবান্ধব ,মানববান্ধব ও নান্দনিক স্থাপনা করে যাচ্ছেন স্থপতি ঋতুপর্ণা দে। তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থাপত্য ডিসিপ্লিনে পড়াশোনা করেছেন। তাঁর রয়েছে “নৃ-ছায়া” নামের একটি প্রতিষ্ঠান।

আধুনিক স্থাপত্য শিল্পে আলো, বাতাস, সবুজ ও প্রকৃতিকে গুরুত্ব দিয়ে নান্দনিক স্থাপনা করে যাচ্ছেন স্থপতি রাইয়ানা তাহসিন। তিনি পড়াশোনা করেছেন খুলনা ....

জলবায়ু, সংস্কৃতি, ভূ প্রকৃতি ও মানুষের মমত্ববোধ নিয়ে স্থাপত্য শিল্পে সৃষ্টিশীল কাজ করে যাচ্ছেন স্থপতি মোঃ নাহিদ হাসান, স্থপতি এস. এম. রুহুল আমিন ও স্থপতি অনিমেষ প্রভাকর দেবনাথ। তাঁরা তিনজন ভালো বন্ধু.........

বাড়ি কিংবা অফিস সাজাতে আলোর ভূমিকা এখন আর কেবল অন্ধকার দূর করার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। সঠিক আলোকসজ্জা যেমন ছোট ঘরের সৌন্দর্য বাড়িয়ে বড় দেখা যাবে,.........

নগরভিত্তিক স্থাপত্যচর্চার পাশাপাশি প্রান্তিক মানুষের কাছে স্থাপত্যচর্চা পৌঁছে দেয়ার কাজ করে যাচ্ছেন স্থপতি ইমরুল ইসলাম দুররানি। তিনি আহসান উল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়........