
গল্প ও চরিত্র পছন্দ হলে অভিনয়েও নামতে পারি

বাবার ছায়া সন্তানদের সংগ্রামের প্রেরণা। নুহাশ হুমায়ূন বাবা হুমায়ূন আহমেদের ছায়া ও মায়ায় স্বপ্ন দেখতে শিখেছেন। হলিউডের সঙ্গে যৌথ প্রযোজনায় ক্যারিয়ারের প্রথম সিনেমা নির্মাণ করতে যাচ্ছেন। সিনেমার নাম মুভিং বাংলাদেশ...
নুহাশকে প্রশ্ন করা হল-
নুহাশ বললেন, অডিশন নিয়েছি। অনেকের সঙ্গেই কথা হয়েছে। কাজ চলছে। আমরা আশাবাদী।
প্রথম সিনেমা। অভিজ্ঞতা কেমন?
প্রশ্নের উত্তরে বললেন, আসলে একটা সিনেমার জন্য কিন্তু অনেক সময় লাগে। আমার সিনেমায় আন্তর্জাতিক প্রযোজনাপ্রতিষ্ঠান যুক্ত আছে। আমাদের ফান্ড সংগ্রহ করতে হয়েছে, অনেক ল্যাবে গিয়েছি। বেশ কিছু জায়গা থেকে ইনভেস্ট (লগ্নি) পেয়েছি। আমি তো ফিল্ম স্কুলে পড়িনি। যে কারণে এই প্রোগ্রামগুলো অনেক সহায়তা করেছে। আর ঈদের জন্য সিনেমা বানাতে চাই না। সময় নিয়েই সিনেমা বানাতে চাই।
‘বনলতা এক্সপ্রেস’-এ ভয়েস দিয়েছেন। কেউ কি বুঝতে পেরেছে? জানতে চাইলে নুহাশ হুমায়ূন বললেন, হ্যাঁ। কেউ কেউ বুঝতে পেরেছে, যারা খুব কাছের।

বাবার গল্প। ভয়েস দেওয়ার সময় কোনো ইমোশন কাজ করেছিল? প্রশ্ন শুনে-
নুহাশ বললেন, এটা তো অবশ্যই ইমোশনাল ব্যাপার। বাবার মাধ্যমেই ভয়েস শব্দটার সঙ্গে প্রথম পরিচয়। বাবার শ্রাবণ মেঘের দিন সিনেমায় একটা দৃশ্য ছিল, একজনকে সাপে কামড়েছে। সিনেমার ডাবিংয়ে বাবার সঙ্গে ছিলাম। তখন বাবাকে বলেছিলাম, বাবা আমি কিন্তু মেয়েদের মতো জোরে চিৎকার দিতে পারি। পরে সাপে কাটার দৃশ্যে জোরে মেয়েদের মতো কণ্ঠ নকল করে চিৎকার দিই। সিনেমায় আমার চিৎকারটা বাবা রেখেছিলেন। জীবনে প্রথম বাবার সিনেমায় ভয়েস দিই। এবার বাবা নেই, কিন্তু বাবার অ্যাডাপ্টেশনে আমিও আছি। বাবা দেখতে পারলে খুশি হতেন।
বাবার কোন কাজগুলো সিনেমায় দেখতে চান? এমন এক প্রশ্নের জবাবে-
নুহাশ হুমায়ূন বললেন, মানুষ তো বলে, হিমু, মিসির আলির সিনেমা কবে আসবে। আসলে হিমু, মিসির আলির বাইরে বাবার অনেক সুন্দর সুন্দর গল্প আছে। সেগুলোও কিন্তু হুমায়ূন আহমেদের পাঠকদের কাছে প্রিয়। তানিম নূর ভাই টিপিক্যাল গল্পগুলোর বাইরে কিছুক্ষণ উপন্যাস নিয়ে কাজ করেছেন, এটা খুবই ভালো লেগেছে। এ ছাড়া সিনেমায় যেভাবে নিজের একটা ভিশন যোগ করেছেন, সেটাও দারুণ।সিনেমায় ভয়েস দিলেন, অভিনয় নিয়ে কোনো ইচ্ছা আছে?
নুহাশ বললেন, শৈশবে নিজের বানানো শর্টফিল্মগুলোয় অভিনয় করতাম। গল্প চরিত্র পছন্দ হলে অভিনয় করে ফেলতেই পারি (হাসি)।
আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...








