Ad space

আসুন আরেকবার মুক্তিযুদ্ধের সিনেমাগুলো দেখি—

প্রকাশ:
5
Image

তরুণ বন্ধুদের বলছি, দেশের স্বাধীনতার প্রকৃত ইতিহাস জানতে চান? তাহলে সিনেমা হতে পারে আপনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। কিছু সিনেমার নাম উল্লেখ করি। দেখার চেষ্টা করুন। দেশের স্বাধীনতা আন্দোলন সম্পর্কে আপনার, আপনাদের মধ্যে একটা ধারণা, বিশ্বাস জন্ম নেবে আশা করি। সিনেমাগুলো হলো : আগুনের পরশমনি, জীবন থেকে নেয়া, গেরিলা, আবার তোরা মানুষ হ, ওরা ১১ জন, জয়যাত্রা, মাটির মায়া, শ্রাবণ মেঘের দিন, অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী, আলোর মিছিল, হাঙ্গর নদী গ্রেনেড, মেঘ মল্লার, আমার বন্ধু রাশেদ এবং মুক্তির গান।

Image

জেনে নিশ্চয়ই উৎসাহিত বোধ করবেন দেশের জনপ্রিয় তারকাদের প্রথম পছন্দ এই সিনেমাগুলো। তারা হলেন শাকিব খান, জয়া আহসান, রায়হান রাফি, তাসনিয়া ফারিন, গিয়াস উদ্দিন সেলিম, চঞ্চল চৌধুরি, শারমিন সুলতানা সুমি, শিহাব শাহিন, খয়রুল বাশার ও তামিম নুর। জয়া আহসান বললেন, হুমায়ূন আহমেদের ‘আগুনের পরশমণি’ আমার প্রিয় সিনেমা। খান আতাউর রহমানের জীবন থেকে নেয়া সিনেমাটি যতবার দেখি ততবার দেশের প্রতি মায়া জন্মায়। নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চুর ‘গেরিলা’ আমার আরেকটি প্রিয় ছবি।জীবন থেকে নেয়া, আলোর মিছিল, আবার তোরা মানুষ হ – এই তিনটি সিনেমা শাকিব খানের অনেক প্রিয়। তিনি বলেন, আমার দেখা মুক্তিযুদ্ধের সিনেমার মধ্যে মাস্টারপিস ‘জীবন থেকে নেয়া ‘। ছোটবেলায় টেলিভিশনে সিনেমাটি প্রথম দেখি। আলোর মিছিল আমার দেখি আরেকটি প্রিয় সিনেমা। তরুণ প্রজন্মের উচিত এই সিনেমাগুলোর ব্যাপারে খোঁজখবর নেওয়া।

অভিনেতা খায়রুল বাশারের পছন্দের তিনটি সিনেমা – আমার বন্ধু রাশেদ, জীবন থেকে নেয়া ও মুক্তির গান। বাশার বললেন, ‘আমার বন্ধু রাশেদ’ সিনেমায় একজন কিশোরের দেশপ্রেম আমাকে প্রচণ্ডভাবে আলোড়িত করেছে। ‘জীবন থেকে নেয়া’ সিনেমা একটি পরিবারের গল্পের মধ্য দিয়ে তৎকালীন রাজনৈতিক অবস্থার জটিল বিষয় আমাদের সহজ করে তুলে ধরেছেন গুণী চিত্র পরিচালক জহির রায়হান। তরুণদের উচিত এই সিনেমাগুলো দেখা।

আরও পড়ুন

লোড হচ্ছে...