আধুনিক স্থাপত্য শৈলীর সমন্বয়ে স্থাপত্য শিল্পে দেশীয় উপকরণ ব্যবহার করে টেকসই এবং পরিবেশ বান্ধব স্থাপত্য নকশা তৈরি করে যাচ্ছেন স্থপতি জুবায়ের হাসান ও স্থপতি তাহমিদা আফরোজ। তাঁরা বন্ধু এবং স্বামী-স্ত্রী। দু’জনেই বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) এর স্থাপত্য বিভাগে পড়াশোনা করেছেন। তাঁদের রয়েছে “জুবায়ের হাসান আর্কিটেক্টস” নামের একটি প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার এবং প্রধান আর্কিটেক্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন স্বনামধন্য স্থপতি জুবায়ের হাসান। আর পার্টনার হিসেবে আছেন স্থপতি তাহমিদা আফরোজ। ইতোমধ্যে এই প্রতিষ্ঠানটি বেশ কিছু নান্দনিক স্থাপনার নকশা তৈরি করে দেশে-বিদেশে অনেকের নজর কেড়েছে। এবার আনন্দ আলোর বর্ষপূর্তি সংখ্যায় শাহ্ সিমেন্ট নির্মাণে আমিতে স্বামী-স্ত্রী দুজনকে নিয়ে প্রতিবেদন|ইট, কাঠ, বালু ও কংক্রিটের মাঝেই জুবায়ের হাসান ও তাহমিদা আফরোজ স্থপতি দম্পতি খুঁজে ফেরেন প্রকৃতির সান্নিধ্য। আর তাই তাঁদের প্রতিটি স্থাপনায় থাকে সবুজের ছোঁয়া। ঘর-বাড়ি সহ প্রতিটি ডিজাইনের ক্ষেত্রে আলো, বাতাস, সবুজ সহ প্রকৃতিকে প্রাধান্য দিয়ে থাকেন তাঁরা। স্বামী-স্ত্রী দুজনই সুনিপুণ ভাবে তৈরি করে চলেছেন একের পর এক বিশ্বমানের স্থাপত্য। ২০০৬ সালে জুবায়ের হাসান বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) এর স্থাপত্য বিভাগ থেকে স্নাতক ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তাহমিদা আফরোজ স্নাতক ডিগ্রি সম্পন্ন করেন ২০০৭ সালে।
তাঁদের রয়েছে “জুবায়ের হাসান আর্কিটেক্টস” নামের একটি প্রতিষ্ঠান। ইতোমধ্যে এই প্রতিষ্ঠানটি দেশের নামকরা ফ্যাক্টরি বিল্ডিং, রিসোর্ট , স্কুল, রেস্টুরেন্ট, ভ্যাকেশন হাউজ, ক্লাব, অফিস বিল্ডিং সহ বেশ কিছু নান্দনিক স্থাপনার নকশা করেছে।
সবশেষে, কবিতা কুঞ্জ একটি নীরব অবস্থান। এটি আশ্রয়, সময় ও রূপান্তরের উপর সাধনার বহিঃপ্রকাশ। এটি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে স্থাপত্য কেবল ইট, স্টিল বা কাঠের সমষ্টি নয়; বরং একটি অভিজ্ঞতার ধারক। যেমন একটি গাছ নিজেকে প্রদর্শন করে না, কিন্তু তার ছায়ায় জীবন প্রস্ফুটিত হয়-তেমনি কবিতা কুঞ্জও নিজেকে আরোপ করে না, বরং স্থান তৈরি করে দেয় জীবনের জন্য।