
ঋণখেলাপি মুক্ত থাকাই ব্যবসার বড় মর্যাদা
বাংলাদেশের শিল্পায়নের ইতিহাসে কিছু নাম কেবল ব্যবসায়িক সাফল্যের জন্য নয়, বরং একটি দেশের অর্থনৈতিক রূপান্তরের প্রতীক হিসেবেও উচ্চারিত হয়। মেঘনা গ্রুপ অফ ইন্ডাস্ট্রিজ বা এমজিআই সেই বিশ্বাসের একটি নাম

যাত্রী সেবা নিয়ে অসন্তোষ বাড়ছে
কক্সবাজার এই নামটির সঙ্গে জড়িয়ে আছে অনেক ভালো লাগার গল্প। কক্সবাজার বেড়াতে যাননি এমন মানুষের সংখ্যা কম। কক্সবাজারে নির্মিত হয়েছে একটি আইকনিক রেল স্টেশন। এই রেল স্টেশনটিকে ঘিরে ভ্রমণ পিপাসু মানুষের বেশ আগ্রহ তৈরি হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে স্টেশনটি প্রত্যাশার সিকি ভাগও পুরণ করতে পারছেনা...
পর্যটননগর কক্সবাজারের সমুদ্রসৈকত থেকে মাত্র ছয় কিলোমিটার দূরে চান্দের পাড়াতে নির্মিত হয়েছে ঝিনুক আকৃতির দৃষ্টিনন্দন ‘আইকনিক রেলস্টেশন’। ২০২৩ সালের ১১ নভেম্বর প্রায় ২৩৬ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত স্টেশনটি উদ্বোধন করা হয়। যাত্রীদের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে স্টেশনটিতে নির্মাণ করা হয় বিভিন্ন অবকাঠামো। তবে উদ্বোধনের আড়াই বছর পার হলেও অধিকাংশ সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা যায়নি স্টেশনটিতে।
২৯ একর জমিতে নির্মিত ১ লাখ ৮৭ হাজার বর্গফুট আয়তনের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ছয়তলা এই রেলস্টেশনের সঙ্গেই চালু করা হয় ১০২ কিলোমিটারের ‘দোহাজারী-কক্সবাজার রেলপথ’। লাভজনক এই রেলপথেও বাড়েনি ট্রেনের সংখ্যা। নিরাপত্তাঝুঁকিতে রেলপথটিতে প্রাণহানির ঘটনা বাড়ছে। পণ্য পরিবহনের সুযোগও সৃষ্টি হয়নি রেলপথটিতে।
দৃষ্টিনন্দন এই রেলস্টেশনের এমন হাল হবে জানা ছিল না। একটিমাত্র টয়লেট, তাতেই নারী-পুরুষ শিশুদের দীর্ঘ লাইন। সন্তানদের কোলে নিয়ে লাগেজ-ব্যাগ টানাটানি করে পার্কিং পর্যন্ত যাওয়া খুবই বিরক্তিকর।
ছয়তলা ভবনের নিচতলায় রয়েছে তথ্যকেন্দ্র, মসজিদ, শিশুদের বিনোদনের জায়গা, প্যাসেঞ্জার লাউঞ্জ ও পদচারী-সেতু। দ্বিতীয় তলায় শপিং মল, শিশুযতœ কেন্দ্র, রেস্তোরাঁ এবং তৃতীয় তলায় ৩৯ কক্ষবিশিষ্ট তারকা মানের হোটেল। এর বাইরে চতুর্থ তলাসহ বাকি ফ্লোরগুলোতে রেস্তোরাঁ, শিশুযতœ কেন্দ্র, কনফারেন্স হল ও কর্মকর্তাদের কার্যালয় রয়েছে। ভবনের সামনে ঝিনুকের আদলে তৈরি করা হয়েছে পানির ফোয়ারা। সামনে যানবাহন রাখার পৃথক দুটি পার্কিং।
উদ্বোধনের সময় বলা হয়েছিল, স্টেশনটি এমনভাবে করা হয়েছে পর্যটকেরা চাইলে হোটেল ভাড়া না করেই কক্সবাজার ভ্রমণ করে ঢাকায় ফিরতে পারবেন। স্টেশনটিতে লকার বা লাগেজ রাখার স্থান রয়েছে। রাতের ট্রেন ধরে সকালে কক্সবাজারে গিয়ে ভাড়ার বিনিময়ে পর্যটকেরা লাগেজ, মালামাল স্টেশনে রাখতে পারবেন। সারা দিন সমুদ্রসৈকত বা দর্শনীয় স্থান ঘুরে রাতের ট্রেনে আবার ফিরে যেতে পারবেন।
তবে এই সেবার কথা বলা হলেও আড়াই বছরেও তা চালু করা যায়নি। অথচ এরই মধ্যে স্টেশনের সব কাজ শেষ হয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের ম্যাক্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড কর্তৃপক্ষ বলছে, আইকনিক রেলস্টেশনের সব কাজ শেষ করে গত মার্চ মাসেই স্টেশনটি রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
সম্প্রতি রেলস্টেশন ঘুরে দেখা গেছে, যাত্রীরা ট্রেন থেকে নেমে পূর্ব পাশের সরু প্ল্যাটফর্ম দিয়ে বেরিয়ে আসছেন। একই পথে ট্রেনে ওঠার জন্য ছুটছেন আরেক দল যাত্রী। তাতে বাড়ছে ভিড়, হুড়োহুড়ি। মালামাল ও শিশুসন্তানদের নিয়ে বের হতে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে নারী যাত্রীদের।
স্টেশনে কথা হয় ঢাকার মোহাম্মদপুর থেকে আসা যাত্রী কামরুল হাসানের সঙ্গে। তাঁর সঙ্গে স্ত্রী ও তিন ছেলেমেয়ে রয়েছেন। আগের দিন রাত ১১টায় ঢাকার কমলাপুর স্টেশন থেকে ছেড়ে আসা কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেনে তাঁরা কক্সবাজার পৌঁছান। আইকনিক রেলস্টেশনের অব্যবস্থাপনা দেখে ক্ষুব্ধ কামরুল হাসান (৪৫) প্রথম আলোকে বলেন, ‘দৃষ্টিনন্দন এই রেলস্টেশনের এমন হাল হবে জানা ছিল না। একটিমাত্র টয়লেট, তাতেই নারী-পুরুষ শিশুদের দীর্ঘ লাইন। সন্তানদের কোলে নিয়ে লাগেজ-ব্যাগ টানাটানি করে পার্কিং পর্যন্ত যাওয়া খুবই বিরক্তিকর।’
ঢাকার বাসাবো থেকে বেড়াতে আসা ব্যবসায়ী নাজমুল হুদা (৫৫) বলেন, ‘এত বড় স্টেশনে নামাজের ব্যবস্থা নেই। নিচতলায় তথ্যকেন্দ্র, শিশুদের বিনোদনকেন্দ্র, পদচারী-সেতু, রেস্তোরাঁ থাকলেও সবই বন্ধ।’

রাজশাহী থেকে বেড়াতে এসেছেন ফজলুল করিম (৫৫)। তিনি বলেন, স্টেশনে লকার না থাকায় লাগেজ-ব্যাগ নিয়ে শহরের দিকে তাঁদের ছুটতে হচ্ছে। অথচ স্টেশন চালুর পর ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল স্টেশনেই মালামাল রেখে পর্যটকেরা বেড়াতে যেতে পারবেন।
ভবনের সম্মুখভাগে রয়েছে ঝিনুক আদলের ফোয়ারা। যাত্রীরা ঝিনুক ফোয়ারা দিয়ে স্টেশনে প্রবেশ করার কথা, কিন্তু প্রবেশপথটি বন্ধ। ফোয়ারাতেও পানির বিচ্ছুরণ নেই। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্টেশনের একজন টিকিট কালেক্টর বলেন, ‘দুটি ট্রেনের যাত্রীরা যখন ভবনের বাইরে একটি গেট দিয়ে প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ করেন এবং বের হন, তখন চেক করতে গিয়ে ঝামেলায় পড়তে হয়। যাত্রীদের সঙ্গে তর্কাতর্কিতে জড়াতে হয়।’
ঢাকার ব্যবসায়ী সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘বাইরে থেকে স্টেশনটি আধুনিক স্থাপনার মতো মনে হলেও ভেতরে ওষুধের দোকান, রেস্তোরাঁ কিছুই নেই। স্ক্যানার-চলন্ত সিঁড়িও বন্ধ।’ জানতে চাইলে রেলস্টেশনের স্টেশন ব্যবস্থাপক গোলাম রব্বানী বলেন, ‘পূর্ণাঙ্গ ভবন পরিচালনার জন্য আগামী জুলাই মাসে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে হস্তান্তর করা হবে। তখন সব সেবা পাওয়া যাবে।’
রেল প্রকল্পের পরিচালক ও বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক (পূর্ব) মো. সুবক্তগীন বলেন, ‘স্টেশনে অপারেশনাল কার্যক্রম এবং যাত্রীদের জন্য স্ক্যানার ও ওয়েটিং হলের সুবিধা চালু রয়েছে। তবে বাণিজ্যিক কার্যক্রম চালুর জন্য আগামী ৩০ জুনের মধ্যে দরপত্র (টেন্ডার) প্রক্রিয়া শেষ করে জুলাইয়ের দিকে প্রাইভেট অপারেটর নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হবে। তখন তারাই নিরাপত্তা ও সার্বিক রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব নেবে। তাতে যাত্রীদের দুর্ভোগ কমবে।’
রামু-কক্সবাজার সেকশনে আটটি লেভেল ক্রসিংয়ের মধ্যে মাত্র একটিতে গেটম্যান রয়েছে। ডুলাহাজারা-ইসলামাবাদ সেকশনের ১৩ কিলোমিটারের মধ্যে থাকা ১২টি লেভেল ক্রসিংয়ে গেটম্যান আছে একটিতে। ১১ কিলোমিটার দীর্ঘ চকরিয়া-ডুলাহাজারা সেকশনে ৯টি ক্রসিং থাকলেও গেটম্যান আছেন তিনটিতে।
অরক্ষিত রেলপথ, পদে পদে ঝুঁকি
রেলস্টেশনের কর্মকর্তারা জানান, ২০১৮ সালের জুলাইয়ে শুরু হয় ১৮ হাজার ৩৪ কোটি টাকার দোহাজারী-কক্সবাজার রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পের কাজ। চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন (সিআরইসি), চায়না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন করপোরেশন (সিসিইসিসি), বাংলাদেশের তমা কনস্ট্রাকশন কোম্পানি ও ম্যাক্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড দুই ভাগে এই কাজ করে। এটি সরকারের অগ্রাধিকার (ফাস্ট ট্র্যাক) প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত ছিল। এর মধ্যে আইকনিক রেলস্টেশন নির্মাণে খরচ হয় প্রায় ২৩৬ কোটি টাকা।
দোহাজারী-কক্সবাজার রেলপথ নির্মাণকাজ শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে ট্রেন চলাচল শুরু হয় ২০২৩ সালের ১ ডিসেম্বর থেকে। প্রথমে এক জোড়া ট্রেন চললেও এখন সপ্তাহের ছয় দিন চলে চার জোড়া ট্রেন। কর্তৃপক্ষ বলছে, লাভজনক এই পথে রেলের সংখ্যা বাড়ানো হবে।
চট্টগ্রামের দোহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত ১০২ কিলোমিটারের রেলপথে ৯টি উপ রেলস্টেশন কেন্দ্র রয়েছে। ট্রেনে দৈনিক চার হাজার যাত্রী যাতায়াতের সুযোগ পেলেও উপ রেলস্টেশনসমূহে বিরতি না থাকায় স্থানীয় লোকজন সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ঢাকা-কক্সবাজার রুটে সরাসরি চলা দুই জোড়া ট্রেনের কোনটি চট্টগ্রাম ছাড়া কোথাও থামে না।
কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য মতে, এই রেলপথের ৭২টি লেভেল ক্রসিংয়ের মধ্যে ৫৬টিতে কোনো গেটম্যান ও প্রতিবন্ধকতা বা প্রতিবন্ধক নেই। এর ফলে একের পর এক দুর্ঘটনা ঘটছে। রেলওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এই রেলপথে গত ২১ মাসে ৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। লেভেল ক্রসিংয়ে ট্রেনের ধাক্কায় এবং রেললাইন পার হতে গিয়ে ট্রেনে কাটা পড়ে এসব মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া গত বছরের ১৩ অক্টোবর রাতে ট্রেনের ধাক্কায় মারা যায় একটি হাতি।
রেলওয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, দোহাজারী-কক্সবাজার রেলপথে ট্রেন চালু হলেও প্রয়োজনীয় জনবল অনুমোদন দেয়নি অর্থ মন্ত্রণালয়। তবে প্রকল্পের আওতায় অস্থায়ীভাবে গেটম্যান নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

রামু-কক্সবাজার সেকশনে আটটি লেভেল ক্রসিংয়ের মধ্যে মাত্র একটিতে গেটম্যান রয়েছে। ডুলাহাজারা-ইসলামাবাদ সেকশনের ১৩ কিলোমিটারের মধ্যে থাকা ১২টি লেভেল ক্রসিংয়ে গেটম্যান আছে একটিতে। ১১ কিলোমিটার দীর্ঘ চকরিয়া-ডুলাহাজারা সেকশনে ৯টি ক্রসিং থাকলেও গেটম্যান আছেন তিনটিতে।
কক্সবাজার বাঁচাও আন্দোলন-এর সভাপতি আয়াছুর রহমান বলেন, ‘রেল দুর্ঘটনা কমাতে হলে জরুরি ভিত্তিতে প্রতিটা লেভেল ক্রসিংয়ে গেটম্যান, স্বয়ংক্রিয় সংকেত স্থাপন, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, নিরাপত্তা নিয়ে জনসচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন দরকার। রেল আইন সম্পর্কে কক্সবাজারের মানুষের ধারণা অনেক কম।’
কক্সবাজার চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি আবদুস শুক্কুর বলেন, ‘আড়াই বছরেও এই পথে পণ্য পরিবহনের ট্রেন চালু না হওয়া দুঃখজনক। যদি পণ্যবাহী ট্রেন চালু করা যেত, কিংবা চালু থাকা ট্রেনগুলোতে পণ্য পরিবহনের জন্য আলাদা কোচ বরাদ্দ দেওয়া হতো, তাহলে কক্সবাজারে উৎপাদিত লবণ, শুঁটকি, সামুদ্রিক মাছ, চিংড়ি সারা দেশে সরবরাহ সহজ হতো। একই সঙ্গে টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি করা মিয়ানমারের পণ্যও দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা যেত। অন্য জেলা থেকেও পণ্য সহজেই কক্সবাজার আনা যেত।’
কক্সবাজার হোটেল গেস্টহাউস কটেজ মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার বলেন, প্রতিবছর কক্সবাজার ভ্রমণে আসেন ৭০ থেকে ৮০ লাখ পর্যটক। বিপুলসংখ্যক মানুষের যাতায়াতের একমাত্র ভরসা দুই লেনের জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক। তিন ঘণ্টার পথ পাড়ি দিতে সময় লাগে ৬-৭ ঘণ্টা। এমন অবস্থায় ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানো গেলে পর্যটকসহ সাধারণ মানুষের নিরাপদ ভ্রমণ নিশ্চিত হতো।
পর্যটনশিল্পের বিকাশে আইকনিক রেলস্টেশনটি গেম-চেঞ্জার হতে পারত উল্লেখ করে কক্সবাজার হোটেল রিসোর্ট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুকিম খান বলেন, বিশেষ ছুটিতে প্রতিদিন যাঁরা স্বস্তির খোঁজে ট্রেনে চেপে কক্সবাজার আসছেন, তাঁদের জন্য স্টেশনটি এখনো কেবলই ঝকঝকে বাহ্যিক কাঠামো। বাণিজ্যিক কার্যক্রম ও স্টেশনের গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো অলস পড়ে থাকায় নষ্ট হচ্ছে। পাশাপাশি সরকারও রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...

বাংলাদেশের শিল্পায়নের ইতিহাসে কিছু নাম কেবল ব্যবসায়িক সাফল্যের জন্য নয়, বরং একটি দেশের অর্থনৈতিক রূপান্তরের প্রতীক হিসেবেও উচ্চারিত হয়। মেঘনা গ্রুপ অফ ইন্ডাস্ট্রিজ বা এমজিআই সেই বিশ্বাসের একটি নাম

বিশ্ব অর্থনীতির নতুন শক্তির নাম এখন সেমিকন্ডাক্টর। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা থেকে স্মার্টফোন, যুদ্ধবিমান থেকে মেডিকেল ডিভাইস-প্রযুক্তিনির্ভর এই যুগে প্রতিটি আধুনিক যন্ত্রের কেন্দ্রে রয়েছে ক্ষুদ্র এক চিপ। যে দেশ এই চিপ ডিজাইন ও প্রযুক্তির নিয়ন্ত্রণে থাকবে,

বাংলাদেশের পুঁজিবাজার দীর্ঘ এক অস্থিরতার ইতিহাস। এই বাজারে যেমন রাতারাতি উত্থানের গল্প আছে, তেমনি আছে হাজারো মানুষের নিঃস্ব হয়ে যাওয়ার কাহিনি। গত তিন দশকে দেশের অর্থনীতি বড় হয়েছে, মাথাপিছু আয় বেড়েছে, শিল্পায়ন বিস্তৃত হয়েছে,

একসময় বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হতো। শিল্পায়ন, রপ্তানি, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা সৃষ্টির পেছনে এই খাতের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু গত দেড় দশকে

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত ভোটে তিনি সাইপ্রাসের প্রার্থীকে পরাজিত করে এই দায়িত্ব লাভ করেন,

হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাসের সংলাপ আর কারো মনে থাকুক বা না থাকুক প্রেমিক, প্রেমিকাদের খুব বেশী মনে থাকে। দীপ্তি চৌধুরী তার উৎকৃষ্ট উদাহরণ। দীপ্তির পরিচয় দেবার কি প্রয়োজন আছে? তবুও বলি চ্যানেল আই এর জনপ্রিয় উপস্থাপক

মেহজাবিন অভিনীত এই সময়ের আলোচিত সিনেমা ‘সাবা’ আবার রাজধানীরস্টার সিনেপ্লেক্সের দুটি শাখায় প্রদর্শন করা হচ্ছে। মাকসুদ হোসাইন পরিচালিত.............

অবশেষে আইস্ক্রিনে মুক্তি পেল, রায়হান রাফির বহুল আলোচিত ওয়েব ফিল্ম “অমীমাংসিত”। শুটিং সহ যাবতীয় কাজ শেষ হওয়ার পরও নানা জটিলতায় দীর্ঘ সময় দরে আটকে ছিল ফিল্মটি...........